Saturday, June 13, 2020

এখন যদি করেন কেস , অচিরে ই হবেন শেষ

এখন যদি করেন কেস , অচিরে ই  হবেন শেষ 

 


প্রচলিত অনেক কথা আছে ------
"শিকারী বিড়ালের গোঁফ দেখলেই চেনা যায়  বা   মায়ের চেয়ে মাসির দরদ বেশি হলে সেই মাসি হয় ডাইনি , বা মিথ্যা দিয়ে মহৎ কাজ হয় না বা একটা মিথ্যা কে ঢাকতে আরো অনেক মিথ্যের অবতারণা করতে হয়   এই রকম অনেক প্রচলিত কথা আমাদের বাংলা ভাষা কে সমৃদ্ধ করেছে।  কিন্তু প্রয়োগ করার মতো উদাহরণ সব সময়  সামনে মেলে না ।  কিন্তু আমার মনে হয় বর্তমানে  উপরোক্ত বাগধারা প্রয়োগের উপযুক্ত উদাহরণ আমাদের সামনে আছে ।  একটু চোখ কান সজাগ রাখলে ই  বুজতে পারবেন । 
   কেউ বা কারা   স্থির বিশ্বাসী যে  ssk msk   বয়স্ক শিক্ষক শিক্ষিকা রা নেহাতই গোবেচারা  হতভাগা ও অজ্ঞ অযোগ্য । এবং আইন কানুন কিছুই বোঝে না ।   তাই স্বজাতি শিক্ষক বহিষ্কৃত  ভাগ্য অন্বেষণে  ব্যাস্ত  বিশেষ শিক্ষক নেতা আমাদের ত্রাতা হতে  একের পর এক বার্তা দিতে শুরু করলেন । সুযোগ বুঝে সুন্দর ভাবে শুরুও করে ছিলেন ।    কিন্তু যা হয়।  অভ্যর্থনার আতিশয্যে   বাঘ ছাল পরিহিত  শিয়াল  একদিন হুক্কা হুয়া  শুরু করলেন ।  ঝুলি থেকে শিয়াল  বেরিয়ে পড়লো,  সেই একই অঙ্ক case করো ।    তার সহজ অঙ্ক---
    শিক্ষক প্রতি ×1000 = বিশাল পরিমান ।  

 আইনজীবী কে কিছু দাও  বাকি  অন্য a/c তে সরিয়ে নাও। 
  কেউ প্রশ্ন করলে বললেই হবে ,  বিচারাধীন বিষয়, কিছু বলা যাবে না।  উকিল বাবু বলেছেন জয় আমাদের নিশ্চিত ।  তার পর আপনার আমার  সর সর  করে  অবসর ।  সরকার ও সুযোগ বুঝে বলতে পারেন    "আপনারা তো case করেছেন  ফায়সালা না হওয়া পর্যন্ত  কিছু করা যাবে না ।  হয়ে গেল।
 এমনটা হবেই বলছি না , হলে  আমার আপনার চরম ক্ষতি হবে     দলভ্রষ্ট নেতার কিছুই হবে না ।  আপনি বড়জোর হোয়াটস আপ গ্রুপে কিছু গাল মন্দ করে  নিজ শিক্ষকদের নিকট হতে  শিক্ষক সুলভ আচরণ করার জ্ঞান শুনে ক্ষান্ত হবেন , আর মনে মনে বলবেন  1000 টাকা গেছে কি আর করা যাবে ।  তাই প্রিয় মাস্টার মশাই  ভেবে দেখুন । 
  সম কাজে সম বেতন  --- এক দীর্ঘ সওয়াল জবাবের পর  দেশের সর্বোচ্চ আদালত রায় দিয়েছেন ।  এই নির্দেশ কেন  সব রাজ্য সরকার তৎক্ষণাৎ কার্যকর করছে না , নিশ্চয়ই ব্যাপারটা এত সহজ সরল নয়।  সুপ্রিম কোর্টের কি দায়িত্ব ছিল না তা প্রযোগ করার ক্ষেত্রে নজরদারি চালানো ??? 
সারা দেশে বিভিন্ন ক্ষেত্রে লক্ষ লক্ষ  এমন কর্মী  রয়েছেন । রাতা রাতি এই বিশাল পরিমান অর্থ দিতে রাজ্য সরকার গুলি নানা বাহানা ধরবেন।  আর ধরছেন ও । এক দিনে কিছুই হয় না ।
 তাই  আমার মনে হয় সরকারের সঙ্গে নরমে গরমে  প্রথম সুযোগ হিসাবে আমাদের কাজটি করিয়ে নেওয়া ।  ইতিমধ্যে কিছু কিছু রাজ্য তা শুরুও করে দিয়েছেন।  
সুপ্রিম কোর্ট  যা এখন পর্যন্ত প্রয়োগ করাতে পারেনি তা কিভাবে high court করতে পারবেন ???  
 আর জেনে রাখুন  মাইনা বা সুযোগ সুবিধা  কেন্দ্র বা রাজ্যই দেবে  কোর্ট বড়জোর আদেশ দিতে পারেন   তা আদতে নিরুপায়  অনুরোধের সমান ।  
 সরকার চাইলে আপনাকে জিতিয়ে জিতিয়ে  হারাবে ।
ততদিন ভাগ্য অন্বেষণ কারী নেতা  আপনার ধরা ছোঁয়ার বাইরে চলে যাবে ।
  এমনিতে 60-65  অপশন নিয়ে অপেক্ষাকৃত কম বয়সী শিক্ষকদের ভুল পথে পরিচালিত করেছেন । তাদের অনেকেই এখন  গালাগাল দিতে শুরু করেছেন । facebook    whsts apps এর মন্তব্য গুলি দেখলেই বোঝা যাচ্ছে। 
 এক ভিডিও বার্তায় উনি বলছেন  ssk msk  একটি প্রকল্পের আওতায়  তাহলে কি ভাবে 65 অপশন দের   বা 60 উর্ধ্ব দের  সব রকম সরকারি সুযোগ আদায় করে দেবেন ???  এখানে বেইনি দাবি আদায় করার প্রতিশ্রুতি দেবেন । আবার অন্য দিকে সম কাজে সম বেতনের আইনি লড়াই করার কথা বলবেন ।  বেশ মজার ।
 সিংহ যদি বলে --- হরিণী  আমি তোকে ভালোবাসী , সন্দেহ হয়  হরিণী নয় ওর  নধর দেহটার বেশি প্রত্যাশী।
 আর একটা গল্প বলা হচ্ছে ---যারা case করবেন তারাই বেনিফিট পাবেন ।    এটি কোনো দিন হবে না , যদি কোর্টের নির্দেশে কেসে  অংশ গ্রহনকারীরাই  সম বেতন ভাতা পান । বাকিরা ও সম কাজে সম বেতন কাঠামো তে আসবেন ।  মাইনে তো সরকার দেবেন  । কোর্ট তো  আর দেন না ।  রাজ্য সরকার যার জন্যই  কিছু করুন না কেন--  সেই অংশের সবার জন্যই তা প্রযোগ করবেন ।  তখন কি ওই নেতা কোর্টে গিয়ে নালিশ করবেন ---' হুজুর  আমাদের 500 বা 1000 লোকেদের case র ফল  বাকিরা কেন পাবে ???   ওরা  আমাকে তো 1000 করে টাকা করে দেয় নি ।  আপনি আদেশ দেন ওদের বাড়তি মাইনে বন্ধ করে দেওয়া হোক।। এমন কিছু।
 সুতরাং  sir কেসে যাওয়ার অনেক সময় পাওয়া যাবে । এখন অপেক্ষা করুন সরকারের সঙ্গে আলোচনা করুন । দাবী গুলি আদায় করার জন্য সঙ্গবদ্ধ হউন ।
 দেশের বিভিন্ন  রাজ্য সরকারের মনোভাব ইতিমধ্যে ইতিবাচক পরিবর্তনের সাক্ষী দিচ্ছে  , আমাদের বাংলা ও বেশী দিন উপেক্ষা র  উপাখ্যান শোনাবে না ।
তাই সুস্থ থাকুন ভালো থাকুন  আন্দোলনে থাকুন । 
দুষ্টু নেতাকে তুষ্ট থেকে বিরত থাকুন।

 অনিরুদ্ধ সিপাই । diamond harbour 2 block। south 24 pgs

Wednesday, April 1, 2020

একে বলে থিয়োরি অফ অয়েলিং ।। সমস্ত SSK MSK শিক্ষকেরা দেখুন


একে বলে থিয়োরি অফ অয়েলিং ।। সমস্ত SSK MSK শিক্ষকেরা দেখুন

SSK MSK NEWS
SSK MSK NEWS

আমি আবারো ফিরে এসেছি , মনে পড়ে আমায় ? আমি সেই জনৈক MSK শিক্ষক । যে সেদিন প্রতিবাদ করেছিল মাছরাঙার ! যে সেদিন প্রচণ্ডরকম সমালোচিত হয়েছিল মাছরাঙ্গার প্রতিবাদ করার জন্য !

আজ নিশ্চয়ই আপনাদের অনেকের ভুল ভেঙ্গেছে ! অনেকেই নিশ্চয়ই মাছরাঙার ভুলভুলাইয়া থেকে বেরিয়ে আসতে পেরেছেন । তবে এখনও যারা মোহ কাটাতে পারেননি তাদের জন্য এই লেখা ।

চলুন একটি উদাহরণ দিয়ে শুরু করা যাক । হঠাৎ আমার মন হল মুখ্যমন্ত্রীকে চিঠি দেব ! আমি কে ? ধরে নিন আপাতত আমি হলাম হাসপাতালের নার্সদের একটি সংগঠনের স্বঘোষিত সম্পাদক ।

তো ভাবা যেমন , কাজও তেমন আমি মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রীকে একটি চিঠি দিলাম –



মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রী ,
 প্রথমেই আমার সংগঠনের তরফ থেকে শুভেচ্ছা নেবেন । আপনি এই কঠিন পরিস্থিতিতে অত্যন্ত দক্ষতার সাথে লড়াই করে চলেছেন তারজন্য আপনাকে আমাদের হাসপাতালের নার্সদের পক্ষ থেকে অসংখ্য ধন্যবাদ ।
আমরাও দিনরাত হাসপাতালে রোগীর সেবা করে চলেছি । এবং বর্তমান পরিস্থিতি মোকাবিলায় আপনার সাথে হাত হাত মিলিয়ে থুড়ি হাতে হাত মেলালে করোনা হতে পারে , তাই হাতজোড় করে নমস্কার করে কাজ করতে চাই ।
তাই করোনা মোকাবিলায় আমাদের সংগঠনের পক্ষ থেকে একটি প্রস্তাব দিচ্ছি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করবেন । আমাদের হাসপাতালের নার্সদের পক্ষ থেকে আপনার কাছে আবেদন বর্তমান পরিস্থিতির উপর বিবেচনা করে ডাক্তারদের ডিউটি ১২ ঘণ্টা থেকে ১৮ ঘণ্টা করার প্রস্তাব দিচ্ছি ।
আশাকরি উপরোক্ত আবেদনটিকে আপনি গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করবেন !   



নিশ্চয়ই হাসপাতালের ডাক্তাররা আমার এই প্রস্তাব শুনে আমাকে মাথায় তুলে ধন্য ধন্য করবেন  । তাই না ! তাই ই হচ্ছে ।
গতকালকে মাছরাঙার দেওয়া প্রস্তাব অনেকটা উপরের ক্যাটাগরির মধ্যে পরছে ।

মাছরাঙার সংগঠনটি মূলত ssk msk শিক্ষকদের নিয়ে । তাঁরা যদি হামমরোদি করে শিক্ষক এবং সরকারি কর্মচারীদের বিষয়ে প্রস্তাব দিতে যায় , তাহলে গালি আর কটুকথা ছাড়া কিছুই মিলবে না । তাই ঘটেছে । মাছরাঙার ফেসবুক প্রফাইলে গেলেই সেটা বুঝতে পারবেন । কি পরিমান মানুষ ছিঃ ছিঃ করছে তার এই আহাম্মকি কাজকে !

কিন্তু এতকিছুর পরও মাছরাঙ্গার কোন হেলদোল নেই ! এখন প্রশ্ন হল কেন ? আসলে এটা তার একটা সুকৌশলি পদক্ষেপ বলতে পারেন । এটাকে বলে “থিয়রি অফ হাইলাইটিং ইয়োরসেলফ” । আর সেটাতে সে দারুনভাবে সফল ।

যখন সবাই করোনা নিয়ে ব্যস্ত । মানুষ ঘরে আবদ্ধ । সে তো আর হাত গুটিয়ে বসে থাকতে পারে না । কিছু একটা করতে হবে যেন তাঁকে নিয়ে সবাই আলোচনা করে । আর সেই কারনেই এই আহাম্মকি চিঠি ! আহাম্মকি বলাটা ভুল বরং বলা ভালো কৌশলী চিঠি ।

করোনা ভুলে , বেতন বঞ্চনা ভুলে সবাই মেতে উঠেছে মাছরাঙাকে নিয়ে ! দেখুননা আমিও লিখতে বসেছি তাকেই নিয়ে । তাই তো সে সম্পুর্নরূপে সফল ।  কোন এক মহাপুরুষ বলেছেন হয় খুব ভালো হও নাহলে খুব খারাপ হও । তবেই তোমাকে নিয়ে হবে আলোচনা । আর সেটাই হয়েছে । একটু বিষয়টা তুলনা করে দেখবেন ।


অবশ্য এখানে আরও একটা থিয়োরি রয়েছে । যাকে বলে “থিয়োরি অফ ওয়েলিং” । বুঝতে পারছেন না তো ! এটা কি ? চলুন বুঝিয়ে দিচ্ছি ।

মাছরাঙ্গার এই চিঠি দেওয়ার আরও একটি উদ্দেশ্য হলো মুখ্যমন্ত্রীর মন জয় করা । দেখুন আমি কত ভালো ! আমি বলছি মাইনের ২৫ % কেটে নিয়ে জনহিতে কাজে লাগান । এই না হল মানুষ । না না মানুষ না মহাপুরুষ ! তবেই না আসা যাবে মুখ্যমন্ত্রীর নেকনজরে । আসলে মাছরাঙার চোখ তো ২০২১ । তবে জেনে রাখুন ২১ শে মিলবে ঠ্যাঙ্গা !

এখানে আরও একটা থিয়োরি কাজ করছে । কি বোর হচ্ছেন ? আর একটু সময় নেবো আপনাদের । পড়ুন না কষ্ট করে । বাড়িতে তো বসেই থাকবেন !

তো এই থিয়োরির নাম হল “থিয়োরি অফ দু নৌকায় পা” । আজ খানিক মুখ্যমন্ত্রীকে অয়েলিং করলাম । এর দুদিন পর মুখ্যমন্ত্রীর নিন্দা করে সাধারনের কাছে রয়্যালটি নেবো । বুঝলেন কিছু । একবার এদিক আর একবার ওদিক করে , গাছেরও খাবো আবার গোঁড়ারও কুড়বো । এখনও যদি না বোঝেন ।

একটা উদাহরণ দি দুদিন আগেই যে মুখ্যমন্ত্রীর রিলিফ ফান্ডকে ধর্মস্থানের বাক্স বলে আখ্যায়িত করেছিল । যার বৈধতা নিয়েই তুলেছিল প্রশ্ন এবং এর মাধ্যমে আপনাদের মন জয়ের চেষ্টা করেছিল ! দুদিন পরেই সেই ফান্ডেই বেতনের ২৫ % কেটে নেওয়ার অনুরোধ । বলি এটা কি মামদোবাজি চলছে । যা খুশি তাই !

না আর ভালো লাগছে না । এবার শেষ করবো হে মাছরাঙা তোমার মানুষের হায় লাগতে বেশি দেরি নেই । পরিশেষে একটাই কথা “ঘরে থাকুন , বেঁচে থাকুন !”

জনৈক MSK শিক্ষক

[ আপনি এবিষয়ে কি ভাবছেন ? নীচের কমেন্টবক্সে কমেন্ট করুন ! কেমন লাগলো লেখাটি তাও জানাবেন ! ]



Friday, March 27, 2020

Ssk msk শিক্ষকদের বর্তমান পরিস্থিতিতে কি করা উচিত ?


আজ শনিবারের শুভ সকালে সমস্ত SSK&MSK শিক্ষক, এবং AS দের জানাই আন্তরিকভাবে প্রীতি শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন।
           আজ সারা বিশ্বের মানুষ কভিড-19 এর করাল গ্রাসের মধ্যে জীবন যাপন করছে, আমাদের ভারত বর্ষ সেখান থেকে রেহাই পায়নি, এমত অবস্থায় যখন আমাদের মত শিক্ষকদের এ বিষয়ে মানুষকে সচেতন করা খুবই প্রয়োজন, সরকারি নির্দেশকে মান্যতা দিয়ে প্রতিটি মানুষের লকডাউন এ থাকা বাঞ্ছনীয়, প্রতিটি মানুষের সোশ্যাল দূরত্ব বজায় রেখে চলা দরকার, দুরবর্তী কোন এলাকা থেকে যে কোন ব্যক্তি আপনার পাড়ায় প্রবেশ করলে সঙ্গে সঙ্গে তাকে চেকআপ করানোর জন্য হসপিটালে পাঠানোর প্রয়োজন। এই সমস্ত কাজগুলো এই মুহূর্তে আমাদের সকলের এক বাক্যে করা প্রয়োজন বলে আমি মনে করছি। অথচ সে জায়গায় দাঁড়িয়ে আমরা এখনো পর্যন্ত এই মহা বিপদের সময় একে অপরের বিরুদ্ধে কুৎসা করছি, খারাপ ভাষা ব্যবহার করছি, দল বা সংগঠন করার চেষ্টা করছি, যেটা এই মুহূর্তে মোটেই কাম্য নয়। আগে আমাদের জীবন তারপর অন্য কিছু। অথচ আমরা যদি কেউ ন্যূনতম 200 টাকা দেওয়ার কথা বলছে, সেখানে বিতর্ক করছি, কেউ একদিনের আয় দেওয়ার কথা বলছে, সেখানেও বিতর্ক করছি। আবার কেউ যদি বাড়ির পার্শ্ববর্তী গরিব মানুষদের সাহায্যের কথা বলছে সেখানেও বিতর্ক করছি। এক কথায় নিজের সংগঠনের কোন নেতা খারাপ প্রস্তাব দিলেও সমর্থন করছি। অপরদিকে অন্য সংগঠনের কোন নেতা ভালো কথা বললেও বিরোধিতা করছি। আপনারা সকলেই ভাবুন এই মুহূর্তে এই ধরনের মানসিকতা নিয়ে আমাদের চলা উচিত কিনা? এমতাবস্থায় আমি সমস্ত সংগঠনে নেতা ও কর্মীদের কাছে করজোড়ে আবেদন করছি, পুরনো দিনের সমস্ত গ্লানি মুছে দিয়ে, করোনা কে সামনে রেখে, সকলেই আমরা ঐক্যবদ্ধ হয়ে চলার চেষ্টা করি। আসুন আমরা কয়েকদিন ঐক্যবদ্ধভাবে নিম্নলিখিত কয়েকটি  কাজে আন্তরিকভাবে মনোনিবেশ করি।,,,,

এই মুহূর্তে যে কাজ গুলি আমাদের করা দরকার।
1*সরকার ও স্বাস্থ্য কর্মীদের নির্দেশমতো লকডাউন সম্পূর্ণভাবে মেনে চলা।
2*পাশাপাশি পাড়া-প্রতিবেশীদের এ বিষয়ে সচেতন করা।
3*পারায় কোন বহিরাগত প্রবেশ করলে তাকে নজরে রাখা, প্রয়োজনে স্বাস্থ্যকর্মীদের খবর দিয়ে তার হেলথ চেকআপ করানোর ব্যবস্থা করা।
4*পাড়ার গরিব মানুষদের খোঁজখবর নিয়ে, তাদের সাধ্যমত সাহায্য করা।
5*মুখ্যমন্ত্রীর জরুরী ত্রাণ তহবিলে সাধ্যমত দান করা।
6*পাড়ার চায়ের দোকানে আড্ডা দেওয়া দেখলে দৃঢ়তার সঙ্গে প্রতিবাদ করা, না শুনলে পুলিশকে খবর দেওয়া।
********আসুন আমরা সকলে মিলে ঐক্যবদ্ধভাবে কয়েকদিন এই গুরুদায়িত্ব গুলো পালন করি, এই মুহূর্তে কোন তর্ক নয়, বিতর্ক নয়, কুৎসা নয়, শত্রুতা নয় সকলেই মিলেমিশে এক হয়ে যায়, দেখবেন সকলের ভাল লাগবে। আগামী দিনেও এটা কাজে আসবে বলে আমার দৃঢ় বিশ্বাস। আরো অনেক কিছু লেখার ছিল, কিন্তু নেট বিঘ্ন ঘটাচ্ছে তাই আর বাড়াচ্ছি না এখানেই সমাপ্তি করলাম। কেউ কোন আঘাত পেলে ক্ষমা করে দেবেন।,,,,
                ধন্যবাদ
            আমিরুল মুর্শেদ
            নানুর, বীরভূম।
             28/03/2020

msk/ssk/as রা মন দিয়ে পড়ুন এবং share করুন মেসেজ টা,,,,

msk/ssk/as রা মন দিয়ে পড়ুন এবং share করুন মেসেজ টা,,,,,

Msk /ssk/as শিক্ষক দের গ্রুপে শুধু মুখ্যমন্ত্রী র রিলিফ ফান্ডে টাকা পাঠান বলছে  ,এখানেই শেষ নয় আন্দোলন কে ব্যবসা তে পরিণত করা নেতা বলছে কারো হাতে টাকা দেবেন না।সবার কাছে আবেদন আমরা শিক্ষক ,আমাদের সাথে সমাজের যোগাযোগ বেশি ।কোন পরিবারের কি আর্থিক অসুবিধা আমরা জানি ,এই মুর্হুতে মুখ্যমন্ত্রী র রিলিফ ফান্ড আসতে সময় লাগবে।তাই নিজ এলাকায় যে সকল মানুষ নিজ উদ্যোগে রিলিফ পৌঁছে দিচ্ছে তাদের হাতে ফান্ড দিন কাজে লাগবে ইনস্ট্যান্ট ।আর মুখ্যমন্ত্রীর রিলিফ ফান্ডে টাকা দেবার জন্যে বহু মানুষ আছে ।যারা কাজের চাপে সময় পায়না ,বহু টাকা মাইনে পায়।তাই আমাদের আশু কাজ রিলিফ ফান্ড না আসা পর্যন্ত আমাদের মতো শিক্ষকদের দের কেই অভুক্ত মানুষের সংসার চালানোর দায়িত্ব নিতে হবে ।তোলাবাজ, ব্যবসায়িক নেতার কথায় কান দেবেন না।বহু টাকা কামিয়েছে 8 মাসের আন্দোলনে, আপনাদের যে বিপদ গামী করেছে সেটা পরে বুঝতে পারবেন।এখন টাকা কমানোর নতুন ছক মামলা ।*।

Wednesday, March 25, 2020

SSK/MSK&AS শিক্ষকদের উদ্দেশ্যে জরুরী বার্তা / 26.03.20

SSK/MSK&AS শিক্ষকদের উদ্দেশ্যে জরুরী বার্তা / 26.03.20



আজ বৃহস্পতিবারের শুভ সকালে সমস্ত SSK/MSK&AS দের শুভেচ্ছা ও ধন্যবাদ জানাই। আজ যখন সারা ভারতবর্ষে সহ আমাদের রাজ্য পশ্চিমবঙ্গের মানুষ লকডাউন মেনে চলছে, সকল নাগরিকের সরকারি নির্দেশ মোতাবেক এটা মেনে চলা বাঞ্ছনীয় বলে মনে করছি। এইরকম এক সংকটময় পরিস্থিতিতে সরকারের পাশে দাঁড়ানোর উদ্দেশ্যে আমাদের সংগঠনের শ্রদ্ধেয় রাজ্য নেতৃত্ব আনারুল সাহেব সকলের কাছে ভিডিও বার্তার মাধ্যমে একটি ছোট্ট আবেদন রেখেছেন, আবেদনের মাধ্যমে প্রতিটি SSK /MSK &AS দের মুখ্যমন্ত্রীর জরুরী ত্রাণ তহবিলে কমপক্ষে 200 টাকা করে জমা দিতে বলেছেন। আশা করি এই সামান্য অর্থ জমা করলে আমাদের কোনো শিক্ষকের অসুবিধা হওয়ার কথা নয়, যদিও আমরা খুব সামান্যই অনারিয়াম পাই, তা সত্ত্বেও এইরকম একটা ভয়াবহ পরিস্থিতিতে এই সামান্য অর্থ দান করে আমরা এই মহতী কাজের শরিক হতে চাই। আপনার এই সামান্য অর্থ একটা মানুষের প্রাণ বাঁচাতে সাহায্য করবে, এর মত মহৎ কাজ আর কি হতে পারে বলুন। তাই সকলের কাছে অনুরোধ করছি আনারুল সাহেবের আবেদনে সাড়া দিয়ে আমরা সকলে এই সামান্য অর্থ মুখ্যমন্ত্রীর জরুরী ত্রাণ তহবিলে দান করতে এগিয়ে যায়। নিচে মুখ্যমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলের অ্যাকাউন্ট নম্বর দিলাম, সকলে এই নম্বরে আপনার পরিশ্রমের টাকা দান করবেন, অন্য কোন নম্বরে দেবেন না।,,,,,, ধন্যবাদ।
A/C NO-628005501339
IFSC-ICIC0006280

আমিরুল মুর্শেদ, বীরভূম।
       26/03/2020

Sunday, March 22, 2020

টাকার নেশায় কতটা মশগুল হলে এত নীচে নামা যায় ! Ssk msk আপডেট

টাকার নেশায় কতটা মশগুল হলে এত নীচে নামা যায় !

কি আশ্চর্য ! সারা বিশ্ব করোনা আতঙ্কে আতঙ্কিত ।
সারা দেশ লক ডাউনের পথে । আর একটিমাত্র মানুষরূপি শয়তান মামলা আন্দোলন করে টাকা কামানোর ধান্দায় মেতে উঠেছে !

এখনো কি আমরা বুঝবো না ? আর কবে আমাদের ঘুম ভাঙবে ?

আমরা SSK MSK শিক্ষকরা কতটা বোকা যে এই তোলাবাজের কু-মনোবৃত্তি এখনো ধরতে পারছি না ?

শুধু একটাই কথা বলার ছিঃ ! তুমি মানবজাতির কলঙ্ক !

সরকার Msk ssk Teacher's 60/65 অপশন উভয়েরই ক্ষেত্রে বর্তমান সুযোগ সুবিধা গুলো স্পষ্ট উল্লেখ করেছে।

সরকার Msk ssk Teacher's 60/65 অপশন উভয়েরই ক্ষেত্রে বর্তমান সুযোগ সুবিধা গুলো স্পষ্ট উল্লেখ করেছে।
কিন্তু,"অনেকেই কাকের পিছনে ছুটছে, 👂 কান চেক না করে।"
আমার বক্তব্য, সরকার msk ssk Teacher's দের নিয়ে বর্তমানে ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা কি করছে বা ভাবছে, সেবিষয়ে সরকারের সঙ্গে আলোচনায় বসে মতামত জানা দরকার। তারপর পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহণ করা উচিৎ। এবং সেটা খুব শীঘ্রই এপ্রিলের মধ্যেই সরকারের সঙ্গে আলোচনায় বসতে হবে।
আলোচনার ফলস্বরুপ পরবর্তী কর্মসূচি গ্রহণ করা দরকার না হলে এমন কিছু উচিত হবে না যে, হিতে বিপরীত হতে পারে। যদিও বিশ বাইশ বছর বঞ্চনার শিকার আজো।
তবে*কারো সমালোচনার সঙ্গে সঙ্গে নিজেদের আত্ম সমালোচনা ও সাংগঠনিক কাঠামো তরান্বিত করা আশু প্রয়োজন বলে মনে হয়।*
বহুব্রীহির দোসরাই আজ বেশি সমালোচনায় মশগুল,(আঙুরফল নয়তো)!
তবে যাই হোক কিছু নেতৃত্ব ফলপ্রসূ হোক না হোক নিজেদের মত চেস্টা করে যাচ্ছেন, সেজন্য ধন্যবাদ।
*দুঃখিত যে, কতকগুলো নেতৃত্ব জাল ফেলে 🎏 মাছ ধরে ধরে অন্যের"খালুই"এ মাছ ভরে,,খালি হাতে গাল চুলকাচ্ছে*
যাই হোক সরকারের সঙ্গে আলোচনায় বসে সমাধান না হলে, এপ্রিলে মধ্যেই পদক্ষেপ গ্রহণ করতে সব্বার প্রতি ও নেতৃত্বের আশা করছি। ধন্যবাদান্তে,
শেখ মিনহাজ উদ্দিন আহমেদ

এখন যদি করেন কেস , অচিরে ই হবেন শেষ

এখন যদি করেন কেস , অচিরে ই  হবেন শেষ    প্রচলিত অনেক কথা আছে ------ "শিকারী বিড়ালের গোঁফ দেখলেই চেনা যায়  বা   মায়ের চেয়ে মাসির দরদ বেশ...