Saturday, October 12, 2019

SSC_তে_উচচ্চপ্রাথমিকে_নিয়োগে_ব্যাপক_দূর্ণীতির_প্রতিবাদে_মহামিছিল_১৮ই_তে

#SSC_তে_উচচ্চপ্রাথমিকে_নিয়োগে_ব্যাপক_দূর্ণীতির_প্রতিবাদে_মহামিছিল_১৮ই_তে#


#স্বচ্ছতার_সাথে_মেধাভিত্তিক_নিয়োগের_দাবীতে_লড়াই_করছে_শিক্ষক_ঐক্য_মুক্ত_মঞ্চ#

#দূর্ণীতির_বিরুদ্ধে_জবাব_দিয়ে_বেশী_করে_শেয়ার_করুন#
আপনারা জানেন বর্তমান সময়কালে শিক্ষাক্ষেত্রে নৈরাজ্য, শিক্ষক নিয়োগে দূর্ণীতি, শিক্ষাঙ্গনে শিক্ষক হামলা ক্রমবর্দ্ধমান৷ SSC তে দূর্ণীতি, প্রাথমিকে দূর্ণীতি,PSC তে দূর্ণীতি, WBCS পরীক্ষাতে ব্যাপক দূর্ণীতির ফলে বর্তমান ও আগামি প্রজন্ম ধ্বংসের দিকে৷
সম্প্রতি দীর্ঘ ৫ বছর পরে উচ্চ প্রাথমিকে শিক্ষক নিয়োগের মেধা তালিকা প্রকাশিত হয়েছে৷ কিন্তু তারপরে চাকরীপ্রার্থীদের মধ্যে চরম হতাশার সৃষ্টি হয়েছে৷ দেখা গেছে মেধাকে গুরুত্ব দেওয়া হয়নি৷ একাধিক অস্বচ্ছতার প্রমান আমাদের কাছে এসেছে৷ চাকরীপ্রার্থীদের ও আগামি প্রজন্মের জন্য  শিক্ষক ঐক্য মুক্ত মঞ্চ ধারাবাহিক লড়াই আন্দোলন করবে মেধাভিত্তিক তালিকা প্রকাশ করে নিয়োগের দাবীতে৷
২০১৫ সালে টেট পরীক্ষা হয়, ২০১৬ সালে টেটের ফলপ্রকাশিত হয়৷ ২ লক্ষের বেশী পরীক্ষার্থি সফল হয়৷কিন্তু তখন শূণ্যপদের সংখ্যা ছিল ১৪৩৯৯ আজ পাঁচ বছর পরে ও একই শূণ্যপদ? অবাক করছে কোনো আপডেটেট শূণ্যপদের তালিকা প্রকাশ করা হয়নি৷ ফলপ্রকাশের পরে দীর্ঘ বছর নিয়োগ ব্যবস্থা সম্পন্ন হয়নি৷ অবশেষে ৪ বছর পরে (ফল প্রকাশিত হওয়ার) ৭ই ফেব্রুয়ারী স্কুল সার্ভিস কমিশন অফিস ঘেরাও করতে হয়েছিল সারারাত ধরে যা অত্যন্ত লজ্জাজনক ঘটনা রাজ্যের পক্ষে৷ আমি সহ অন্যান্য চাকরীপ্রার্থিরা দীর্ঘক্ষণ ঘেরাও করি৷ রাতে বামপরিষদীয় দলনেতা ড.সূজন চক্রবর্তী আসেন৷ রাত ১ টায় আমাদের মধ্যে থেকে ১১ জন আন্দোলনকারীকে গ্রেপ্তার করে৷ পরেরদিন ছেড়ে দেয়৷ তারপরে ভেরিফিকেশন শুরু হয়৷ কিন্তু দেখা যায় অসংখ্য যোগ্য প্রার্থীকে ভেরিফিকেশনের সুযোগ দেওয়া হয়নি৷ পরে তাদের অনেক মামলা করেন৷ আবার ও নিয়োগ প্রক্রিয়া ঝুলে থাকে৷ প্রথম ফেজ, দ্বিতীয়, ফেজ, তৃতীয় ফেজ , ও কোর্টের পিটিশনারদের ভেরিফিকেশন করে ইন্টারভিউতে ডাকা হয়৷ সেখানে অনেক অযোগ্য প্রার্থী সুযোগ পায় অবৈধ্যভাবে যোগ্য প্রার্থিদের ব্যতিরেখে৷
  ইন্টারভিউ চলাকালীনঅভিযোগ উঠে "পেন্সিলের মাধ্যমে"চাকরীপ্রার্থীদের নম্বর দেওয়া হচ্ছে যা চরম দূর্ণীতির নামান্তর৷
অবশেষে ৩০ শে সেপ্টেম্বর কোর্টের অর্ডারে তড়িঘড়ি মহাষষ্ঠীর দিন মেরিট লিষ্ট প্রকাশিত হয়৷ এবং দেখা যায় ব্যাপক দূর্ণীতিতে ভরা তালিকা৷ যা অতীতের সব রেকর্ড ভেঙে দিয়েছে৷ যা বিজেপি শাসিত মধ্যপ্রদেশ সরকারের "ব্যাপম কেলেঙ্কারী" র সমতুল্য৷
১.মেরিট লিষ্টে রেশিও মানা হয়নি৷
২.যোগ্য প্রার্থিদের ভেরিফিকেশন থেকে বঞ্চিত করা হয়েছে৷অনেককে ইন্টারভিউতে ডাকা হয়নি৷
৩.টেটের নম্বর অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি করে অযোগ্যদের মেধাতালিকাতে জায়গা দেওয়া হয়েছে৷
৪. মেল/ফিমেল তালিকা ঠিক প্রকাশিত হয়নি৷
৫.অপ্রশিক্ষিত হিসাবে ফর্ম ফিলাপ করার পরে দেখা  যায় তাদের প্রশিক্ষণের জন্য নম্বর দিয়ে মেধাতালিকার প্রথমে রাখা হয়৷
৬. সংরক্ষণের নিয়ম মানা হয়নি৷ পার্শ্বশিক্ষক ও SSK/MSk শিক্ষক শিক্ষিকাদের ১০% সংরক্ষন দেওয়া হয়নি৷
৭.প্রথম ফেজ ও দ্বিতীয় ফেজে যোগ্য প্রার্থি হিসাবে যারা ইন্টারভিউ দিয়েছিলেন তাদের মেধাতালিকা থেকে বাদ দিয়ে অযোগ্য প্রার্থীদের সুয়োগ দেওয়ার জন্য ইচ্ছাকৃত ভাবে ইন্টারভিউতে কম নম্বর দেওয়া হয়েছে৷
৮. বেশীর ভাগ যোগ্য প্রার্থিদের গড়ে ইন্টারভিউতে ৪ এর কম দেওয়া হয়েছে অথচ অযোগ্যদের অশ্চার্যজনকভাবে ৯/৯.৫ দেওয়া হয়েছে৷
৯. কিসের ভিত্তিতে মেরিট লিষ্ট প্রকাশিত হয়েছে তার বর্ণণা নেই ৷
১০. কোর্টের নির্দেশে অভিযোগ ২১ দিনের মধ্যে জমা নেওয়ার ক্ষেত্রে সবার অভিযোগ নেওয়া হচ্ছে না৷ অভিযোগ নেওয়ার সময় কমিশনের কোনো কর্মী বা আধিকিরিক না থেকে কোম্পানির নিযুক্ত নিরাপত্তা রক্ষীদের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে৷
এছাড়া নানা অস্বচ্ছতার অভিযোগ উঠেছে৷
 সরকার বা কমিশনের উচিত চাকরীপ্রার্থী বা জণগণের আস্থা ফেরাতে আন্দোলনকারীদের সাথে বৈঠক করে সবাইকে বিস্তারিত জানান বা বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা৷
 এজন্য আগামি ১৮ই অক্টোবর শিক্ষক ঐক্য মুক্ত মঞ্চ নির্দিষ্ট দাবির ভিত্তিতে সবাইকে নিয়ে করুণাময়ী থেকে কমিশনের অফিস পর্যন্ত দুপুর ১ টায় মহামিছিল করবে৷ এবং একত্রে ১০০০০ অভিযোগ কমিশনকে জমা করবে৷যা পরবর্তীকে কোর্টে মামলার জন্য গুরুত্ব পূর্ণ৷ ঐদিন চেয়ারম্যান ও শিক্ষামন্ত্রীর সাথে দেখা করে ডেপুটেশন দেওয়া হবে৷
ইতিমধ্যে প্রশাসন বুঝতে পেরেছে যে অস্বচ্ছতা ঢাকা দেওয়ার জায়গা নেই তাই আমাদের শান্তিপূর্ণ কর্মসুচী বাতিলের জন্য পুলিশ অগণতান্ত্রিকভাবে অনুমতি দিচ্ছে না৷ আমরা আগামি সোমবার হাইকোর্টের দারস্ত হচ্ছি যাতে এই কর্মসুচী করতে পারি৷ প্রশাসন যত চাপ দেব আমাদের লড়াই তত তীব্র হবে৷ আপনারা বিভিন্ন জনের কথাতে বিভ্রান্ত হবেন না৷ একত্রিত হয়ে এ লড়াই লড়তে হবে নিজেদের ও আগামি প্রজন্মের স্বার্থে না হলে এরূপ দূর্ণীতি ক্রমাগত বাড়তে থাকবে৷
#আগামি_১৮_তারিখ_জমায়েতের_মাধ্যমে_সরকিরকে_জবাব_দিন#

No comments:

Post a Comment

এখন যদি করেন কেস , অচিরে ই হবেন শেষ

এখন যদি করেন কেস , অচিরে ই  হবেন শেষ    প্রচলিত অনেক কথা আছে ------ "শিকারী বিড়ালের গোঁফ দেখলেই চেনা যায়  বা   মায়ের চেয়ে মাসির দরদ বেশ...